ঢাকা, শুক্রবার ০৬, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০:১১:০২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
২০ ফেব্রুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা, চলবে ২৫ দিন ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা, চলবে ২৫ দিন বিশ্বকাপ ফুটবলের টিকেট মিলল কি না জানা যাবে আজ ববিতাসহ দশ বিশিষ্ট ব্যক্তি পাচ্ছেন একুশে পদক দেশে এসেছে ৩ লাখ ৭৯ হাজারের বেশি পোস্টাল ব্যালট

বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

বাসস | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৩০ এএম, ১০ নভেম্বর ২০২৩ শুক্রবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ছোটবেলা আমার বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি। বাবার সঙ্গে আমাদের দেখা হতো কারাগারে।

শুক্রবার (১০ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বিজয় সরণীতে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগের বাংলাদেশ আর এখনকার বাংলাদেশের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। ক্ষুধা-দারিদ্র, অশিক্ষা, চিকিৎসাহীনতা, ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষের ক্রন্দনে বাংলার আকাশ-বাতাস ভারী ছিল। এই বাঙালি জাতিকে আর্থসামাজিক মুক্তি দেওয়ার জন্যই জাতির পিতার সংগ্রাম। এ দেশের মানুষের জন্য তিনি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন।

তিনি বলেন, ছোটবেলা তোমরা শিশুরা অনেকেই তো বাবা-মায়ের হাত ধরে স্কুলে যাও। কিন্তু আমাদের সেই সৌভাগ্য হয়নি। আমার তো বাবার সঙ্গে দেখা হতো কারাগারে। জেলগেটে মাসে দুইবার আমরা যেতে পারতাম। স্কুল থেকে জেলগেটে গিয়েছি, এমনকি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা অবস্থায়ও জেলগেটে গিয়ে বাবার সঙ্গে দেখা করেছি। এই ছিল আমাদের জীবন। কিন্তু আমাদের কোনো ক্ষোভ ছিল না। কারণ আমরা জানতাম আমাদের বাবা দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। স্বাধীনতার পর তিনি সেই চেষ্টাই করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

সরকারপ্রধান বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল বাংলার প্রত্যেকটি ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষের ঘর হবে। প্রতিটি মানুষ পেট ভরে ভাত খাবে, ভালো কাপড়, চিকিৎসা ও শিক্ষা পাবে। কিন্তু তিনি সেই কাজ সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। যাইহোক আজকে অন্তত এটুকু বলতে পারি, জাতির পিতার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা অনেক দূরে এগিয়েছি। গত ১৫ বছরে একটা বাংলাদেশকে একটা বদলে যাওয়া বাংলাদেশে আমরা রূপান্তর করতে পেরেছি।

শিশুদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, একটা কথা মনে রাখতে হবে, শিক্ষাই সবচেয়ে বড় সম্পদ। টাকা-পয়সা, ধন-দৌলত কোনো কিছুই সম্পদ না। সম্পদ হচ্ছে একমাত্র শিক্ষা। এই শিক্ষা যে ভালোভাবে গ্রহণ করবা, তা চোরেও নিতে পারবে না, ডাকাতেও নিতে পারবে না, নিজের কাছেই থেকে যাবে। আর শিক্ষা থাকলে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশকে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ করা যাবে।